ভালোবাসার আর এক নাম আর্জেন্টিনা।

ভালোবাসার আর এক নাম আর্জেন্টিনা।

ভালোবাসার নাম আর্জেন্টিনা-
মেসি চার-চারবারের ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন। কিন্তু তার পরও তাঁর আক্ষেপের শেষ নেই। আরধ্য বিশ্বকাপ যে জেতেননি। মেসির নামের পাশে কিন্তু বিশ্বকাপ থাকতেই পারত। সেটি তিনি জিতে যেতেন ২০১০ বিশ্বকাপেই! যদি স্পেনের জাতীয় দলের প্রস্তাবটিতে ‘হ্যাঁ’ বলে দিতেন। ২০০০ সালে বার্সেলোনায় চলে আসেন মেসি।সিনিয়র দলে অভিষেক ২০০৪ সালে। এরই মধ্যে মেসি প্রস্তাব পেয়েছিলেন স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য। মেসি অবশ্য পরে স্পেনের নাগরিকত্বও নিয়েছেন। ২০০৫ সাল থেকে তাঁর দুটো পাসপোর্ট।

লিওনেল মেসি রেকর্ড পাঁচবার ব্যালন ডি অর জয় করেছেন যার মধ্যে চারটি জিতেছেন টানা চার বছরে। তার পুরো পেশাদার জীবন পার করেছেন বার্সেলোনায় যেখানে মোট ৩২টি শিরোপা জিতেছেন। গোলদাতা হিসেবে মেসির দখলে রয়েছে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল (৪০৮), লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল (৫০), ইউরোপে  সর্বোচ্চ গোল (৭৩), পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ গোল (৯১), এল ক্লাসিকোর সর্বোচ্চ গোল (২৬) এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হ্যাট্রিকের (৮) রেকর্ড।  তিনি লা লিগা (১৬৩) এবং কোপা আমেরিকার (১১) ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলে সহায়তাকারীর রেকর্ডেরও মালিক। জাতীয় দল এবং ক্লাবের হয়ে তিনি ৬০০-এর অধিক পেশাদার গোল করেছেন। লা লিগায় এরই মধ্যে ১২৮টি গোলে সহায়তা করেছেন মেসি। তাঁর কাছাকাছি থাকা খেলোয়াড়? লুইস ফিগো। বার্সা ও রিয়াল দুই দলের হয়েই খেলা এই পর্তুগিজের অ্যাসিস্ট ১০৫। আপাতত তাই অনেক বছরের জন্যই লা লিগার অ্যাসিস্ট কিং উপাধিটা মেসি মাথায় রেখে দিতে পারেন।

চলুন জেনে নেয়া যাক ৩০ বছর বয়সি লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে কত ম্যাচ খেলে কত গোল করেছেন।

গোল : ৬১টি    এ্যাসিস্ট : ৪২টি  ম্যাচ : ১২৩টি।

বিশ্বকাপের তিন আসরে অংশ নিয়ে মেসি খেলেছেন ১৫ ম্যাচ। গোল করেছেন ৫টি। এ্যাসিস্ট ৬টি।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ৪৫টি ম্যাচ খেলেছেন মেসি। ২১টি গোলের পাশাপাশি এ্যাসিস্ট করেছেন ১১টি। হলুদ কার্ড ১টি।

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন ৪২টি। গোল সংখ্যা ২৭, এ্যাসিস্ট ১২ ও হলুদ কার্ডের সংখ্যা ৩টি।

কোপা আমেরিকা কাপে বার্সার প্রাণভোমর ২১টি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন। প্রতিপক্ষের জালে গোল জড়িয়েছেন ৮টি। এ্যাসিস্ট ১৩ এবং হলুদ কার্ডের সংখ্যা ৩টি।

 

Leave a Comment